Request Call Back
হস্তমৈথূন একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া যেটা প্রত্যেক পুরুষ তার বয়স বা জৈবিক তাড়নার জন্য করে থাকে। তা সত্ত্বেও বহু মানুষের মনে হস্তমৈথুনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকে। এটি একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু কোনো পুরুষ যদি অধিক সংখ্যক হস্তমৈথূন করে তাহলে অবশ্যই তার নেগেটিভ প্রভাব থাকে। আজ আমরা হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর দিক গুলো সম্পর্কে জানবো।
হস্তমৈথুনের কোনো স্বাভাবিক নিয়ম নেই। কিন্তু রোজ মাস্টারবেশন করা কোনো মানুষের পক্ষেই ঠিক না। বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, পরিমিত মাত্রায় ও সঠিক পদ্ধতিতে হস্তমৈথুন করা মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের কিছু কুপ্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে।
আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে – প্রতিদিন হস্তমৈথুন কি ক্ষতিকর?”
এর সোজা কোনো উত্তর নেই। তার কারণ হস্তমৈথূন এর লং টার্ম কোনো প্রভাব সেইভাবে শরীরে দেখা যায় না। কিন্তু এটি অন্যভাবে মানুষের জীবনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।। আসুন দেখে নি কি কি ভাবে হস্তমৈথূন আমাদের জীবনে অভিশাপ হয়ে আসতে পারে:
হস্তমৈথুন ও টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রার মধ্যে খুব একটা সম্পর্ক নেই। শর্ট টার্ম এ দেখতে গেলে, অতিরিক্ত হস্তমৈথূন টেস্টটেরন আরও মাত্র কমিয়ে দেয়। কিন্তু যদি আপনি কিছুদিন স্বাভাবিক জীবন যাপন করেন এবং মাস্টারবেশন থেকে দূরে থাকেন তো সেটি নরমাল হয়ে যায়। এমনকি কোনো কোনো গবেষণায় এমনও দাবি করা হয়েছে যে, পরিমিত মাত্রায় হস্তমৈথুন করা প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর একটি উপায় হতে পারে।
হস্তমৈথুন কি পুরুষের ফার্টিলিটিতে প্রভাব ফেলে?
অনেকের মনে আবার এই প্রশ্ন ও জাগে যে – “হস্তমৈথুন কি শুক্রাণুর সংখ্যা কমায়?” খুশির খবর এই যে সাধারণভাবে হস্তমৈথুন ক্ষতিকর নয়। কারণ এটি টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রাকে প্রভাবিত করে না। তবে কেউ যদি খুব ঘন ঘন হস্তমৈথুন করেন, তবে স্বল্পমেয়াদে তার শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমান কিছুটা প্রভাবিত হতে পারে। এটি হল্পস্থাই এবং প্রপার ডায়েট আরও মাধ্যমে এটি স্বাভাবিক করা যায়। আরও তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে গুগলে “হস্তমৈথুন ও ফার্টিলিটি” (Masturbation and Fertility) লিখে অনুসন্ধান করুন অথবা আপনার চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজন হলে একটি iui center in kolkata-এ বিশেষজ্ঞের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে।
পুরুষদের ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের মানসিক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে অপরাধবোধ, উদ্বেগ এবং লজ্জাবোধ তৈরি হতে পারে; কারণ সমাজে এই বিষয়টি এখনও কিছুটা ‘নিষিদ্ধ’ বা ‘ট্যাবু’ হিসেবেই গণ্য হয়। এই অভ্যাসটি যদি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ বা জয় করা না যায়, তবে তা একসময় আসক্তিতে রূপ নিতে পারে। সাময়িকভাবে এই অভ্যাসটি বন্ধ করার চেষ্টা করার সময়, ব্যক্তি অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের হয়ে উঠতে পারেন। দীর্ঘমেয়াদে, এটি যৌন পারফরম্যান্স বা সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ (Performance Anxiety) এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে টানাপোড়েনের সৃষ্টি করতে পারে। যদি এই ধরনের লক্ষণগুলো পরিলক্ষিত হয়, তবে পেশাদার পরামর্শদাতার (Counselor) সহায়তা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
বলা হয়ে থাকে যে, যেকোনো অভ্যাসই পরিমিত মাত্রায় চর্চা করা উচিত। তবে হস্তমৈথুন সম্পর্কিত বিষয়গুলোতেও সঠিক তথ্য থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই চর্চাটি ঘিরে সমাজে নানাবিধ ভ্রান্ত ধারণা এবং কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। অনেকেরই বিশ্বাস যে, হস্তমৈথুনের ফলে পুরুষদের যৌন দুর্বলতা, চুল পড়া কিংবা দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, এই দাবিগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভুল। পরিমিত ও স্বাস্থ্যকর হস্তমৈথুনের অভ্যাস পুরুষদের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না। বরং, এটি মনকে শান্ত করতে এবং রাতে ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে সহায়ক হতে পারে। তবে সর্বদা এই পরামর্শই দেওয়া হয় যে, কোনো অভ্যাসকেই এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া উচিত নয়, যাতে তা শেষমেশ আসক্তিতে পরিণত হয়।
এর কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা মাত্রা নেই, কারণ এটি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়। অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রে হস্তমৈথুনের স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর মাত্রা হলো সপ্তাহে ৩ থেকে ৭ বার। অনেকেই আবার দিনে একবারও হস্তমৈথুন করে থাকেন। যতক্ষণ পর্যন্ত এই অভ্যাসটি আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন, কাজকর্ম কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে—ততক্ষণ পর্যন্ত এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য। মূল বিষয়টি হলো একে নিয়ন্ত্রণে রাখা। হস্তমৈথুন ও পুরুষের স্বাস্থ্য বিষয়ক বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন।
হস্তমৈথুনের ক্ষেত্রে সংযম বজায় রাখুন। সুষম খাদ্যাভ্যাস মেনে চলুন, নিয়মিত শরীরচর্চা করুন এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন। অতিরিক্ত পর্নোগ্রাফি দেখা থেকে বিরত থাকুন। সর্বোপরি চেষ্টা করুন যাতে আপনি অতিরিক্ত হস্তমৈথূনের লক্ষণ গুলি সম্পর্কে অবগত হন। নিজের উপর কন্ট্রোল থাকলে আপনি সহজেই যেকোনো বদভ্যাস থেকে বেরোতে পারবেন। কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
যখন আপনি অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের লক্ষণগুলো অনুভব করবেন, তখন একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
প্রজনন স্বাস্থ্য বা ফার্টিলিটি সংক্রান্ত উদ্বেগ থাকলে একজন fertility specialist in kolkata-এর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
পরিমিত মাত্রায় হস্তমৈথুন করা একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। তবে অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে শারীরিক অস্বস্তি, মানসিক সমস্যা, অপরাধবোধ, যৌন পারদর্শিতা নিয়ে উদ্বেগ এবং নানাবিধ জটিলতা দেখা দিতে পারে। এর ফলে শুক্রাণুর সংখ্যার ওপর সাময়িক প্রভাবও পড়তে পারে। যদি মনে হয় যে হস্তমৈথুন একটি আসক্তিতে পরিণত হয়েছে, তবে অবিলম্বে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কেবল মনে রাখবেন—একটি সুস্থ যৌনজীবন এবং উন্নত মানের জীবনযাপনের জন্য, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই পরিমিতিবোধ বজায় রাখাটাই হলো মূল চাবিকাঠি। প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত জটিল সমস্যার ক্ষেত্রে একটি ivf centre in kolkata থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা গ্রহণ করা যেতে পারে।
অধিকাংশ পুরুষের ক্ষেত্রেই হস্তমৈথুন মোটেও ক্ষতিকর নয়। এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি বিষয়। পরিমিত মাত্রায় করলে তা মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে। কিন্তু প্রতিদিন এটি করা উচিত নয়।
অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে শরীর ক্লান্ত ও অবসাদগ্রস্ত বোধ করতে পারে। এটি demotivation ও ভয়ের সৃষ্টি ও করতে পারে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যা হয় না।
হস্তমৈথুন ও টেস্টোস্টেরন একসাথে যুক্ত নয়। স্বল্পমেয়াদে টেস্টোস্টেরন এবং শুক্রাণুর সংখ্যা কিছুটা কমে যেতে পারে; তবে সময়ের সাথে সাথে এই অবস্থার উন্নতি ঘটে। পরিমিত মাত্রায় হস্তমৈথুন দীর্ঘমেয়াদে হরমোনের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলে না।
অতিরিক্ত হস্তমৈথুন (দিনে বেশ কয়েকবার) শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমানের সাময়িক হ্রাসের কারণ হতে পারে। তবে, কয়েক দিনের বিরতি নিলে এই অবস্থার উন্নতি ঘটানো সম্ভব।
না, হস্তমৈথুনের কারণে আপনি বন্ধ্যা হয়ে যাবেন না। হস্তমৈথুনের ফলে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতার কোনো স্থায়ী ক্ষতি হয় না। কিন্তু শর্ট টার্মে এটি স্পার্ম এর কোয়ালিটি ও সংখ্যা কমিয়ে দেয় যেটা সময়ের সথে ঠিক ও হয়ে যায় অন্য কোনো কারণে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দেখা দিলে icsi treatment in kolkata -এর মতো উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি বিবেচনা করা যেতে পারে।
না। এর কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। কিন্তু সপ্তাহে তিন থেকে সাত বার ম্যাক্সিমাম করা যেতে পারে বলে দাবি করা হয়।
হ্যাঁ, অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের প্রভাব আপনার মানসিক অবস্থার ওপর পড়ে। এটি আপনার মধ্যে performance anxiety ও লজ্জার সৃষ্টি করে। মানুষের বিবাহিত জীবনেও অসুবিধা হতে পারে।
যদি অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শর্ট টার্ম হলেও আমাদের সাভাজিক ও স্বাভাবিক জীবনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই আমাদের প্রয়োজন লক্ষ্য রাখা যে এটিকে আমরা অবসেশন পর্যায় না নিয়ে চলে যাই। এরম ঘটনা ঘটলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া খুবই প্রয়োজন।
In vitro fertilization abbreviated as IVF is a popular and highly effective method of assisted reproduction. Over the years with the...
ভূমিকা যেসব নারী তাদের প্রজনন ক্ষমতা বা উর্বরতা যাচাই করছেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রায়শই AMH পরীক্ষাটি করা হয়ে থাকে। যদি এই...
Even if you are not trying to conceive, your uterus is preparing itself for pregnancy every month. During that preparation,...
If you’ve been trying to conceive and have started looking into fertility treatments, you’ve mostly come across both the terms:...
Pregnancy dating can be confusing. At 2 weeks pregnant, based on your last menstrual period, ovulation may just be happening....
How Thyroid Hormones Impact Women’s Health In India, nearly 42 million people are estimated to be living with thyroid conditions....
প্রি-গর্ভাবস্থা কাউন্সেলিং কী? সন্তান গ্রহণের সিদ্ধান্ত একটি দম্পতির জীবনের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। প্রি-গর্ভাবস্থাকাউন্সেলিং বা Preconception Counselling হলো গর্ভধারণের পরিকল্পনার আগে...
How Does Diet Play a Key Role in Male Fertility? You can think of sperm production as a manufacturing process....
What Is Usg Test: USG Full Form In Medical Terms & Its Meaning USG medical abbreviation is Ultrasonography, also known...
What Happens When You Release Sperm Daily? Even if they don’t talk about it openly, many men do have these...
Disclaimer :- The content shared by Renew Healthcare is intended for informational purposes only and should not be considered medical advice. For accurate diagnosis and personalized fertility care, please consult a qualified healthcare professional.